০৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের শিকার জুলাই আন্দোলনের শহিদের কন্যা লামিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০২:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১১৯ বার পড়া হয়েছে।

প্রতীকী ছবি

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ জসিম উদ্দিনের কন্যা  ধর্ষণের শিকার লামিয়ার (১৭) ঝুলন্ত মরদেহ  উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢাকার শেখেরটেকের একটি ভাড়া বাসায় তার নিজকক্ষে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে তাকে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহীদ জসিম উদ্দিনের চাচাতো ভাই কালাম হাওলাদার।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর পাংগাশিয়া ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে নানা বাড়ি যাওয়ার পথে ওই ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে দুমকি থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই তিনি মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। সামাজিক লজ্জা, চাপ ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতায় হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। সর্বশেষ এসব চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন বলে দাবি করে নিহতের পরিবার।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত দুজন আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিচার প্রক্রিয়াধীন, আসামিরা পটুয়াখালী জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে শহীদের পরিবার।

 

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ধর্ষণের শিকার জুলাই আন্দোলনের শহিদের কন্যা লামিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময়ঃ ০২:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

প্রতীকী ছবি

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ জসিম উদ্দিনের কন্যা  ধর্ষণের শিকার লামিয়ার (১৭) ঝুলন্ত মরদেহ  উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢাকার শেখেরটেকের একটি ভাড়া বাসায় তার নিজকক্ষে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে তাকে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহীদ জসিম উদ্দিনের চাচাতো ভাই কালাম হাওলাদার।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর পাংগাশিয়া ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে নানা বাড়ি যাওয়ার পথে ওই ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে দুমকি থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই তিনি মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। সামাজিক লজ্জা, চাপ ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতায় হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। সর্বশেষ এসব চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন বলে দাবি করে নিহতের পরিবার।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত দুজন আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিচার প্রক্রিয়াধীন, আসামিরা পটুয়াখালী জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে শহীদের পরিবার।